হলিউডের নিষিদ্ধ কিছু সিনেমা পোস্টার

0
592

হালের ধারায় আর সকলকে পেছনে ফেলে হলিউডই রয়েছে সবচাইতে এগিয়ে। সেটা কেবল গল্প, প্রযুক্তি আর চিন্তাতেই নয়। খোলামেলা দৃশ্যের দিক দিয়েও। তবুও কিছু সিনেমা পোস্টার রয়েছে যেগুলো নিষিদ্ধ হয়েছে এই হলিউডেও। আর এমন কিছু সেন্সর পার না হতে পারা হলিউডি সিনেমা পোস্টারের কথাই নীচে তুলে ধরা হলো।

টিথ : আপাত দৃষ্টিতে খুব কম মানুষের চোখেই ধরা পড়বে এই পোস্টারের সঙ্গে সিনেমার নামের সামঞ্জস্যতা। পোস্টারে দেখা যায় একটি মানবদেহ। তবে খানিকটা ভালো করে তাকালেই দেখতে পাবেন পোস্টারের নীচের অংশে, মানবদেহের নীচটাতে রয়েছে এক পাটি দাঁত। এবং সেটা শরীরের ভেতরে! উদ্ভট জায়গায় একজোড়া দাঁতের পাটি ও তার ব্যবহার সম্পর্কে খানিকটা জানতে ইচ্ছে হলে দেখে নিন সিনেমাটি। তবে সিনেমা যেরকমই হোক, পোস্টারটি নিষিদ্ধ হয়েছিলো খুব সহজেই।

দ্য পিপল ভার্সেস ল্যারি ফ্লায়েন্ট : সিনেমাটি বেশ সাড়া জাগানোর মতন এবং অভিনেতা উডি হ্যারেলসন বেশ দক্ষতার পরিচয় দিলেও দৃষ্টিকটুতার জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায় পোস্টারটি। তবে আমেরিকার পতাকার ব্যবহারও পোস্টারটির নিষিদ্ধ হবার জন্যে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে।

সিন সিটি টু : হলিউডে নগ্নতাকে অনেক বেশি আপন করে নেওয়া হলেও সিন সিটি টুতে এই একটি ব্যাপারের জন্যেই পোস্টারটি নিষিদ্ধ হয়ে যায়। তবে মনে করা হয় এই পোস্টার ও এর নিষিদ্ধ হবার পেছনে সিনেমা মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের হাত ছিল।

জ্যাক অ্যান্ড মিরি মেক অ্যা পর্ণ : প্রথম দেখায় আপনার হয়তো মনে হবে পোস্টারটিতে চারটি মানুষের মাথা রয়েছে। কিন্তু সামান্য খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন পোস্টারটির যৌনতার খোলামেলা দিকটি। পরিচ্ছন্নভাবেও কি করে একটি পোস্টারকে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ করে তোলা যায় এই সিনেমার পোস্টারটি তারই একটি নিদর্শন।

দ্য গার্ল উইথ দ্য ড্রাগন ট্যাটু : সিন সিটির খোলামেলা পোশাকই যেখানে নিষিদ্ধ হবার কারণ হয়ে গেল একটা পোস্টারের, সেখানে শরীরে ট্যাটু করে খোলামেলাভাবে উপস্থাপিত হওয়াটা যে নিষিদ্ধ পোস্টারের জন্যে যথেষ্ট হবে এতে আর বলার কি আছে?

স টু : হরর সিনেমা পোস্টারগুলোর ভেতর অন্যতম স টু এর পোস্টারটিতে ব্যবহার করা হয় কুচি কুচি করে কাটা দুটো আঙ্গুল। যার ওপরে ছিল আঙ্গুলগুলোকে কাটার জন্যে ব্যবহৃত করাত। ব্যস! নিষিদ্ধ হয়ে গেল এই পোস্টারটিও।

শেম : পোস্টারে শেম শব্দটা লিখতে সাধারণ কোনো ফন্ট ব্যবহার করা হয়নি। আর তাতেই যত বিভ্রান্তি! নিষিদ্ধ হয়ে গেল এই পোস্টারটিও।

থ্রাস্ট : সিনেমার পোস্টারটি অনেকটাই ভয়াবহ রূপ ধারণ করে যখন এটা বুঝতে পারা যায়না যে মেয়েটির শরীরের কোন অংশ দিয়ে ছেলেটি জন্ম নিল হঠাৎ করে। যৌনতা নাকি ভয় কি ফুটে উঠেছে মেয়েটির মুখে? কীইবা বোঝাতে চেয়েছেন পরিচালক এই পোস্টারের মাধ্যমে? কিছুই ঠিকঠাক বোঝা যায়না পোস্টারটিতে।

আলি জি ইনডাহাউজ : যৌনতাকে একে বারে বাজে ভাবে, কোনো রকম শিল্পের ব্যবহার ছাড়াই ব্যবহার করা হয় এই পোস্টারটিতে। তাই বাতিল হয়ে যায় পোস্টারটি।

রুলস অব অ্যাট্রাকশন : এই সিনেমাটির পোস্টার দেখলে খানিকটা অবাক হবার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কোনো রকম হাত, পা, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছাড়াই কি করে কেবল অঙ্গ-ভঙ্গী দিয়ে একটা পোস্টারে যৌনতা ভরে দেওয়া যায়। তাও আবার মানুষ ছাড়াই!