বিশ্বে প্রতি ছয় সেকেন্ড অন্তর একজন স্ট্রোকে মারা যান৷

0
1075

বিশ্বে প্রতি ছয় সেকেন্ড অন্তর একজন স্ট্রোকে মারা যান৷ যে কেউ এই ধরণের অসুস্থতার শিকার হতে পারেন৷ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক যেমন ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা, এর সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষ হারাচ্ছেন তাদের কর্মক্ষমতা৷ স্ট্রোককে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেরিব্রভাসকুলার অ্যাকসিডেন্ট বলা হয়৷ মস্কিষ্কের রক্তবাহী নালির দুর্ঘটনাকেই স্ট্রোক বলা হয়৷ এ দুর্ঘটনায় রক্তনালিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে৷ আমাদের দেশে প্রচলিত একটি ধারাণা আছে, যে স্ট্রোক একটি হৃৎপিন্ডের রোগ৷ স্ট্রোক আসলে যে কোন স্থানেই হতে পারে৷

স্ট্রোক কেন হয়?
উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় কারণ৷ এ ছাড়া ধূমপান, মাদক সেবন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোকের পারিবারিক ইতিহাস, রক্তে মেশি মাত্রায় চর্বি, অতিরিক্ত মোটা হওয়া, অতিরিক্ত মাত্রায় কোমনপানীয় খাওয়া এই ধরণের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে৷ কিছু কিছু ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমিদে দেয়৷ যেমন: অ্যাসিপিরিন, ক্লপিডগ্রেল প্রভৃতি ব্যবহারে মস্কিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে৷ তবে এই রোগ প্রতিকার করা সম্ভব৷ বেশ কিছু সচেতনতা অবলম্বন করলেই স্ট্রোককে প্রতিরোধ করা যায়৷

স্টোক প্রতিকারের উপায়:
স্ট্রোক থেকে মুক্তি পেতে চাইলে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে৷ কমপক্ষে ৪৫ মিনিট ঘাম ঝড়াতে হবে৷ ব্যায়ামের মাধ্যমে কয়েক কেজি কমিয়েও ফেলা যায়৷
ধুমপান ও মাদক সেবনকে না বলুন৷ যে কোনো পরিবেশে হাসিখুশি থাকুন৷নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন৷ চর্বি ও শর্করাযুক্ত খাবার কম খাওয়াই ভাল৷ দোকানের খাবার, অতিরিক্ত, দুধ, ঘি, রেড মিট, ডিমের কুসুম এড়িয়ে চলুন৷ প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, ফল খান৷ এছাড়াও পানি বেশি পরিমাণে খেলে স্ট্রোক এড়িয়ে চলা যায়৷